বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নাম গোপন রাখার শর্তে এক শিক্ষক বলেন, নদী ভাঙনের কারণে ইসলামপুরের পশ্চিম অঞ্চলের মানুষ সর্বস্বান্ত। অনেক দাবিদাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাঁধটি নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে বাঁধটি পশ্চিম ইসলামপুরবাসীর জন্য আশীর্বাদ ছিল। বাঁধ নির্মাণের আগে সারা বছর যমুনার ভাঙন ছিল। বন্যায় গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত হতো। দীর্ঘ সময় ধরে বাঁধের খুব কাছ থেকে ড্রেজার ও নৌকা দিয়ে একটি সিন্ডিকেট বালু উত্তোলন করেছে। বালু উত্তোলনের কারণেই বাঁধটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পাউবো জামালপুর কার্যালয় সূত্র জানায়, ইসলামপুর উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামের বিস্তীর্ণ জনপদ রক্ষায় বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়। ২০১৮ সালে ইসলামপুরের কুলকান্দি থেকে গুঠাইল ঘাট পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করা হয়। বাঁধ নির্মাণে ৯০ কোটি টাকা ব্যয় হয়। ২০২০ সালে জুনে বাঁধটি নির্মাণকাজ শেষ হয়। এতে নদীভাঙন ও বন্যার হাত থেকে অনেকেটাই মুক্তি পেয়েছিলেন গ্রামবাসী।

কুলকান্দি এলাকার মাঝিপাড়া এলাকার বাসিন্দা রকিবুল ইসলাম বলেন, গত শুক্রবার থেকে বাঁধটিতে ভাঙন শুরু হয়। তাঁরা এখন খুবই আতঙ্কগ্রস্ত। বাঁধটি তাঁদের সম্পদ। বাঁধের কারণে গ্রামে ভাঙন ছিল না। একসময় নদীর মাঝখানে ছিল গ্রামটি। ভাঙতে ভাঙতে গ্রামটি ছোট হয়ে গেছে।

পাউবো জামালপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু সাঈদ প্রথম আলোকে বলেন, নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে ওই অংশে পানির স্রোত তীব্র। ফলে ওই অংশের ৯০ মিটার ধসে গেছে। ধসে যাওয়ার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে মেরামত কাজ চলছে। কয়েক দিনের মধ্যেই মেরামত কাজ শেষ হবে। ওই ভাঙা অংশ নিয়ে আতঙ্কগ্রস্ত হওয়ার কিছু নেই। ওই স্থান আর নতুন করে যাতে না ভাঙে, সে ব্যাপারে সব ধরনের ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন