নির্বাচনী প্রচারণায় জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের একটি ভিডিও সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, চতুর্থ ধাপে ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউপি নির্বাচনের বিদ্রোহী প্রার্থী (মোটরসাইকেল প্রতীক) আসাদুজ্জামানের নির্বাচনী সভায় বক্তব্য দিয়েছিলেন তিনি। ওই ইউপিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম (নৌকা প্রতীক)। যদিও এই ভিডিওটি কবেকার, তা জানা যায়নি।

আমি অল্প বয়সে রাজনীতিতে ভালো অবস্থানে চলে গেছি। ফলে অনেক নেতাই এটা ভালোভাবে নিচ্ছেন না। রাজনৈতিকভাবে আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতেই এই বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়েছে।
জাহিদুল ইসলাম

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা না চালিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন জাহিদুল। এই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাঁর এই কর্মকাণ্ডে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। বিষয়টি সংগঠনের জন্য বিব্রতকর। সংগঠনের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার স্বার্থে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকা জাহিদুল ইসলামকে বকশীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক পদ ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।

জাহিদুল ইসলাম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই প্রার্থী আমার আপন চাচা। তিনি নৌকার মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। মনোনয়ন দেওয়ার আগে এক দিন আমার চাচার পক্ষে একটি সভায় উপস্থিত ছিলাম। তখনো কে নৌকা পাবেন, সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে সেখানে নৌকার বিপক্ষে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। অনেক আগের ওই সভায় দেওয়া বক্তব্যটি এখন ফেসবুকে ছাড়া হয়েছে। তারপরও বিষয়টি অন্য একটি উপজেলার। আমি অল্প বয়সে রাজনীতিতে ভালো অবস্থানে চলে গেছি। ফলে অনেক নেতাই এটা ভালোভাবে নিচ্ছেন না। রাজনৈতিকভাবে আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতেই এই বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন