বিজ্ঞাপন

আবদুল্লাহ আল ফুয়াদের বাসা জামালপুর শহরের কাছারিপাড়া এলাকায়। শিবলী নোমানের বাসা শহরের বাগানবাড়ি এলাকায়।

সোমবার ভোরে তাঁদের জামালপুর শহরের বাগানবাড়ি এলাকা থেকে প্রথমে আটক করা হয়। পরে রাতেই ওই দুজনসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

জামালপুর সদর থানা সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোরে পুলিশের কাছে খবর আসে, শহরের বাগানবাড়ি এলাকায় শিবলী নোমানের বাসায় বিএনপি ও জামায়াতের কিছু লোক নাশকতা সৃষ্টির জন্য গোপন বৈঠক করছেন। পুলিশের একটি দল ওই বাসায় গেলে সেখানে উপস্থিত ২০-২৫ জন পুলিশের ওপর হামলা করেন। এ অবস্থায় আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ ও শিবলী নোমানকে পুলিশ আটক করে। হামলায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত ও লাঞ্ছিত হন। খবর পেয়ে সদর থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. খায়রুল ইসলাম বাদী হয়ে আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ, শিবলী নোমানসহ অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। তাঁদের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা, মারধর, সরকারি কাজে বাধা ও সরকারি সম্পত্তি ক্ষয়ক্ষতির চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল ইসলাম খান বলেন, তাঁদের ওই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল রাতেই তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন