বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৫ আগস্ট জামালপুরের যমুনা সার কারখানা কর্তৃপক্ষ ‘ইউরিয়া ফরমাল ডিহাইডের খালি প্লাস্টিক ড্রাম’ বিক্রির দরপত্র আহ্বান করে। দরপত্র জমা দেওয়ার কথা ছিল যমুনা সার কারখানা, জেলা প্রশাসনের কার্যালয় ও এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে। মামুন করপোরেশন ও সিমপ্লেক্স কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড কমার্শিয়াল লিমিটেড নামের দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মো. দাউদ গতকাল সকালে জামালপুর জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে দরপত্র জমা দিতে যান। তাঁকে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের গেটে প্রথম বাধা দেওয়া হয়। পরে কার্যালয়ের ভেতরে দরপত্র জমা দেওয়ার সময় একদল দুর্বৃত্ত তাঁর কাছ থেকে ওই দুটি প্রতিষ্ঠানের শিডিউল জোর করে ছিনিয়ে নেয়।

মামুন করপোরেশনের স্বত্বাধিকারী মো. দেলোয়ার হোসাইনের ভাষ্য, ‘যমুনা সার কারখানা ১৫ হাজার ৫০০টি ডিহাইডের খালি প্লাস্টিক ড্রাম বিক্রির জন্য দরপত্র আহ্বান করেন। গতকাল ছিল দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। আগে থেকেই আমাকে নানাভাবে দরপত্র জমা না দিতে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এ কারণে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়কে নিরাপদ মনে করেছি। ওই কার্যালয়ে দুটি দরপত্র জমা দেওয়ার জন্য ম্যানেজারকে পাঠাই। কিন্তু শুরু থেকে দুর্বৃত্তরা দরপত্র জমা দিতে বাধা দিচ্ছিল। বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মোকলেছুর রহমানের কাছে বিস্তারিত জানিয়ে সহযোগিতা চাওয়া হয়। তিনি তিনজন স্টাফ দেন। তাঁদের সামনেই ২০ জনের একটি দল ম্যানেজারের কাছ থেকে ২টি প্রতিষ্ঠানের ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৭৫০ টাকার বিডিসহ দরপত্র ছিনিয়ে নেয়।’

মো. দেলোয়ার হোসাইন আক্ষেপ করে বলছিলেন, ‘একটি নিরাপদ স্থান জেলা প্রশাসনের কার্যালয়। সেখানে সন্ত্রাসীরা এভাবে দরপত্র ছিনিয়ে নিয়ে যায়! এ বিষয়ে পুলিশের কাছেও গিয়েছিলাম। ডিসি অফিসের ঘটনার কারণে পুলিশ অভিযোগ নেয়নি। পরে বাধ্য হয়ে ঢাকায় শিল্পমন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’ তিনি ওই দরপত্র বাতিল করে পুনঃদরপত্র আহ্বান এবং ছিনতাই করা শিডিউল দুটি উদ্ধারের দাবি জানান।

এ বিষয়ে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মোকলেছুর রহমান বলেন, ‘ওই প্রতিষ্ঠানের একজন প্রতিনিধি আমার কাছে প্রথমে সহযোগিতা চেয়েছিলেন। আমি তিনজন স্টাফ দিয়েছিলাম। পরে কী হয়েছে, সেই বিষয়ে আমাকে আর জানানো হয়নি। তবে লিখিত কোনো অভিযোগ দিলে অবশ্যই বিষয়টি দেখা হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন