বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মুঠোফোনে রিকশাচালক মো. রাজা মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, সোমবার দুপুরে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ওই তিন ছাত্রী তাঁর রিকশাটি ভাড়া করে। কিন্তু কোথায় যাবে, তারা বলতে পারছিল না। পরে তারা জানায়, তারা বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছে। ফলে ছাত্রীদের তাঁর বাসায় তিনি নিয়ে যান। গত তিন ধরে তারা তাঁর বাড়িতে ছিল।

জামালপুরের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (ইসলামপুর সার্কেল) মো. সুমন মিয়া বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ওই তিন ছাত্রী মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে, ইসলামপুর থেকে ট্রেনে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে চলে যায়। কিন্তু স্টেশনে নেমে কোথায় যাবে তা তারা বলতে পারছিল না। এই অবস্থায় একটি রিকশা ভাড়া করে। তখন রিকশাচালক তাদের কাছ থেকে সব শুনে বাড়িতে নিয়ে রাখে। তিন ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের নিয়ে রাতেই জামালপুরের উদ্দেশে রওনা দেওয়া হবে।

তবে কেন ওই তিন ছাত্রী ঢাকায় পালিয়ে যায় তা নিশ্চিতভাবে বলতে পারেননি পুলিশের ওই কর্মকর্তা। তিনি বলেছেন, সংবাদ সম্মেলন করে ওই ঘটনার বিস্তারিত জানানো হবে।

গত রোববার রাতে ওই তিন ছাত্রী মাদ্রাসার অন্য আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। পরদিন সকালে ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য ঘুম থেকে সব শিক্ষার্থীকে জাগিয়ে দেওয়া হয়। অন্যদের মতো ওই তিন শিক্ষার্থীও নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি নেয়। তখন থেকে নিখোঁজ তারা। পরে তাদের পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন