বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অধ্যক্ষ মুজাহিদ বিল্লাহ ফারুকী বলেন, ‘একটি দৈনিক পত্রিকা হবে দুর্জনের ভয়, সুজনের আশ্রয়। আমি মনে করি, প্রতিষ্ঠার ২৩ বছরে প্রথম আলো জনবান্ধব নানা ভূমিকার পাশাপাশি তার মূল কাজ দুর্জনের ভয়ের এবং সুজনের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠতে পেরেছে। সত্যানুসন্ধানী ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ভেতর দিয়ে দেশের সর্বাধিক প্রভাবদীপ্ত পত্রিকার স্থান দখল করে নিতে পেরেছে। এটি অক্ষুণ্ন থাকুক।’

কবি ও সাহিত্যিক মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ বলেন, ‘যা কিছু ভালো তার সাথে প্রথম আলো, এই স্লোগানই প্রমাণ করে, আমাদের জীবনের আলো জ্বালানোর দায়িত্ব নিয়েছে প্রথম আলো। আমাদের জীবনকে শক্তিশারী করতে দায়িত্ব দিয়েছে প্রথম আলো। সবার হৃদয়ে প্রথম আলো আছে এবং থাকবে।’

বীর মুক্তিযোদ্ধা বীরপ্রতীক সৈয়দ সাদরুজ্জামান হেলাল বলেন, ‘প্রথম আলো শুরু থেকেই মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সঠিকভাবে তুলে ধরে। সব সময় প্রথম আলোর সাংবাদিকেরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সাংবাদিকতা করেন।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জামালপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, জামালপুরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান এস এম ইউসুফ আলী, সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আব্দুল হাই আলহাদী, জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হান, কবি ও সাহিত্যিক সাজ্জাদ আনসারী, জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিশাম আল মাহান্নাভ, সময় টিভির নিজস্ব প্রতিবেদক জাহাঙ্গীর আলম, ইনডিপেনডেন্ট টিভির জেলা প্রতিনিধি দুলাল হোসাইন, সমকালের জেলা প্রতিনিধি ও চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের নিজস্ব প্রতিবেদক আনোয়ার হোসেন, মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিক জাহাঙ্গীর সেলিম, বাসসের জেলা প্রতিনিধি মোখলেছুর রহমান প্রমুখ।

জামালপুর বন্ধুসভার সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রথম আলোর জামালপুর জেলা প্রতিনিধি আব্দুল আজিজ। পরে অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে বন্ধুসভার বন্ধুরা ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয় এবং মিষ্টিমুখ করানো হয়।

ভালোর জন্য প্রথম আলো চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে

default-image

প্রথম আলো একটা দর্শন। প্রথম আলো পথ দেখায় সামনে থেকে। মানুষ তথ্য পায়। দেশের জন্য, মানুষের জন্য, যেকোনো ভালোর জন্য প্রথম আলো চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে থাকে। তার উদাহরণ রোজিনা ইসলাম। প্রথম আলো রোজিনা ইসলামের পাশে থেকে সাংবাদিক সমাজকে সম্মানিত করেছে, সাহস জুগিয়েছে।

সাতক্ষীরায় প্রথম আলোর ২৩তম বর্ষপূতি পালন উপলক্ষে কেক কাটা ও অলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। প্রথম আলো সাতক্ষীরা অফিসে আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, শিক্ষক শম্পা গোস্বামী, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান, এটিএন বাংলার সাতক্ষীরা নিজস্ব প্রতিবেদক এম কামরুজ্জামান, দৈনিক করতোয়ার প্রতিনিধি সেলিম মুকুল, সাতক্ষীরার প্রথম আলো বন্ধুসভার সভাপতি মরিয়াম কেয়া, সাধারণ সম্পাদক গোলাম হোসেন, প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ, মো. মামুন সিরাজ।

বক্তারা আরও বলেন, প্রথম আলো দেশের মানুষের পাশে শক্তভাবে রয়েছে। যেকোনো দুর্যোগে প্রথম আলো সবার আগে থাকে মানুষের পাশে। বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলনে মানুষের পাশে থেকে সাহস জোগায়।

আলোচনা সভা শেষে কেক কাটা হয়। পরে সবাইকে মিষ্টিমুখ করানো হয়।

default-image

চাঁদপুরে কেক কেটে প্রথম আলোর ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে হাজীগঞ্জ ফুড লাভার্স মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন মহান মুক্তিযুদ্ধের ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম, হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ সার্কেল) সোহেল মাহমুদ, হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশিদ, শাহরাস্তি থানার ওসি আব্দুল মান্নান, চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী, সাধারণ সম্পাদক রহিম বাদশা, হাজীগঞ্জ মডেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আলমগীর কবির পাটোয়ারী, জেলা পরিষদ সদস্য জসিম উদ্দিন, হাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি আহসান হাবিব অরুণ, টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আল ইমরান শোভন, সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ ফেরদৌস প্রমুখ।

[প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য দিয়েছেন নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা, প্রতিনিধি, জামালপুর ও চাঁদপুর]

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন