বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলার মিরসরাই থেকে গতকাল সোমবার রাতে ইরানকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‍্যাব বলছে, লায়লা বেগম, তাঁর স্বামী কবির আহম্মদ ও তাঁদের ছেলে মো. ফারুক এক যুগ আগে হওয়া একটি খুনের মামলায় সাক্ষ্য দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে লায়লাকে খুন করেন ওই মামলার আসামি।

গ্রেপ্তার ইরান নগরের ইপিজেড এলাকার মাইলের মাথার মৃত আবুল বশরের ছেলে। নিহত লায়লা একই এলাকার বাসিন্দা।

র‍্যাব–৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লে. কর্নেল এম এ ইউসুফ আজ মঙ্গলবার বিকেলে নগরের চান্দগাঁও ক্যাম্পে সাংবাদিকদের বলেন, খুনের মামলায় গত বছরের নভেম্বরে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন লায়লা, তাঁর স্বামী ও ছেলে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জামিনে বেরিয়ে আসা আসামিরা দুই সাক্ষী লায়লা ও তাঁর ছেলে ফারুককে মারধর করেন। গত বৃহস্পতিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান লায়লা। বিষয়টি জানতে পেরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। গ্রেপ্তার হওয়ার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খুনের কথা স্বীকার করেছেন ইরান। র‌্যাব জানায়, আসামি ইরানের বিরুদ্ধে হত্যাসহ নগরের বিভিন্ন থানায় চারটি মামলা রয়েছে।

র‍্যাব সূত্র জানায়, নগরের ইপিজেড ২ নম্বর মাইলের মাথা এলাকায় মহিউদ্দিনের গ্যারেজের সামনে ২০০৯ সালের ১১ এপ্রিল মো. এরশাদ নামের একজনকে ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয়। সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে আপন মামাতো ভাইকে খুন করেন আসামিরা। এ ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ ইরানসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। এক বছরের বেশি সময় কারাভোগের পর আসামিরা জামিনে বেরিয়ে আসেন। এরপর সাক্ষ্য না দিতে লায়লাসহ তাঁর পরিবারকে হুমকি দিতে থাকেন। একপর্যায়ে ১ জানুয়ারি লায়লা ও তাঁর ছেলেকে মারধর করেন আসামি ইরান ও তাঁর ভাইয়েরা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন