বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ, নিহত যুবকের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ মাস আগে লেবানন থেকে বাড়িতে আসেন জুলহাস। গত ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত জয়মণ্ডপ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে জুলহাস আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বোরহান উদ্দিন ফকিরের পক্ষে নির্বাচনী কাজ করেন। একই এলাকার মজিবর রহমানের ছেলে আলাল হোসেন (৪৫) ও দুলাল হোসেন (৪০) নৌকা প্রতীকের বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদত হোসেনের সমর্থক ছিলেন। এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আলাল ও দুলালের সঙ্গে জুলহাসের বিরোধ চলে আসছিল। ১৬ ডিসেম্বর ব্যাডমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে জুলহাসের বাড়ির শিশুদের সঙ্গে মজিবর রহমানের বাড়ির শিশুদের ঝগড়া হয়। এ ঘটনায় ওই দিনই আলালের বাবা মজিবর রহমান বাদী হয়ে জুলহাসসহ নয়জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ জুলহাসকে গ্রেপ্তার করে। প্রায় দুই সপ্তাহ কারাগারে থাকার পর গতকাল তিনি জামিন পেয়ে বাড়িতে আসেন।

সন্ধ্যার দিকে জুলহাস বাড়ির কাছের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যান। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে আলাল ও দুলালসহ কয়েকজন তাঁর ওপর হামলা করেন। স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে তাঁকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত জুলহাসের ভাগনে সেলিম হোসেন বলেন, তাঁর মামাকে মজিবর, তাঁর দুই ছেলে আলাল, দুলালসহ আরও কয়েকজন মিলে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন।

এ ঘটনার পর থেকে আলাল ও দুলাল পলাতক।

সিঙ্গাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম মোল্লা বলেন, রাতে ময়নাতদন্তের জন্য জুলহাসের লাশ এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে মানিকগঞ্জ সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার নিহত যুবকের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হবে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আটকে অভিযান অব্যাহত আছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন