বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, অধিগ্রহণ করা ভূমির অন্তত ৩০ কিলোমিটার পাইপলাইনের ওপর অবৈধভাবে সীমানাপ্রাচীর, বাড়ি, দোকানপাটসহ বিভিন্ন স্থাপনার দখল ছিল। এর মধ্যে ২০ কিলোমিটার অংশ দখলমুক্ত করতে গত ১৬ মার্চ প্রথম দফা অভিযানে নেমে অধিগ্রহণ করা ভূমি চিহ্নিত করা হয়। এরপর ২৬ আগস্ট দ্বিতীয় দফা অভিযান চালিয়ে দখলদারদের নিজ থেকে তাঁদের দখল গুটিয়ে নিতে বলা হয়। এ নির্দেশনায় ১০ কিলোমিটার অংশ থেকে দখলমুক্ত হলেও ২০ কিলোমিটার অংশে দখল থাকে। আজ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সব মিলিয়ে জালালাবাদ গ্যাসের ২০ কিলোমিটার পাইপলাইন থেকে অবৈধ স্থাপনা দখলমুক্ত করা হয়েছে।

অধিগ্রহণ করা ভূমির অন্তত ৩০ কিলোমিটার পাইপলাইনের ওপর অবৈধভাবে সীমানাপ্রাচীর, বাড়ি, দোকানপাটসহ বিভিন্ন স্থাপনার দখল ছিল।

সিলেট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেজবাহ উদ্দিনের নেতৃত্বে এ অভিযানে জালাবাদ গ্যাসের উচ্ছেদসংক্রান্ত টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যসচিব উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম-ভিজিল্যান্স) আমিরুল ইসলাম, ডিজিএম নাজমুল ইসলাম চৌধুরী, বিপ্লব বিশ্বাসসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান শেষে জালালাবাদ গ্যাসের ডিজিএম আমিরুল ইসলাম বলেন, গ্যাস নিরাপত্তা আইনে রয়েছে, উচ্চ চাপবিশিষ্ট গ্যাস পাইপলাইনের উভয় পাশে ন্যূনতম ১০ ফুট করে মোট ২০ ফুটের মধ্যে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। কিন্তু এই আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে। এতে গ্যাস-সংযোগ লাইনে ঝুঁকিও দেখা দিয়েছে।

টাস্কফোর্সের পরবর্তী অভিযান সিলেটের দক্ষিণ সুরমা ও নগরীর পাঠানটুলা এলাকায় পরিচালনা করা হবে বলে জানানো হয়। এ পর্যন্ত ১৪৫টি সীমানাপ্রাচীর, পাকা দালানবাড়ি, টিনশেড ঘর, দোকানপাটসহ ১২টি স্থাপনা উচ্ছেদ করে মোট ২০ কিলোমিটার পাইপলাইনের ভূমি উদ্ধার করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন