বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পাকা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল উজিরপুর উপজেলার সানুহার-কালিহাতা রাস্তার একটি অংশ। গত সোমবার সরেজিমেন স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উজিরপুর উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের ভরসাকাঠি, কালিহাতা, ঘণ্টেশ্বর ও দক্ষিণ কালিহাতা গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে।

ঘণ্টেশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. শাহজাহান সেরনিয়াবাত বলেন, বর্ষায় রাস্তাটিতে রিকশাও চলাচল করতে পারে না। হেঁটে চলাচল করাও দুষ্কর হয়ে পড়ে।

কালিহাতা কেবিজি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হুমায়ুন কবির বলেন, এই রাস্তা দিয়েই কালিহাতা গ্রামের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ কালিহাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভরসাকাঠি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, ঘণ্টেশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও খলিফা বাড়ি নুরানি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করে। কালিহাতা কমিউনিটি ক্লিনিকেও রোগীরা যেতে এই রাস্তাটিই ব্যবহার করেন।

নথিপত্র ও এলাকাবাসী লিখিত অভিযোগে দেখা যায়, রাস্তাটি পাকা করতে (সানুহার-কালিহাতা সড়কের চেইনেজ ২৯৮২ থেকে ৪০০০ পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়ক) ২০২০ উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ প্রায় ৯০ লাখ টাকার একটি প্রকল্প তৈরি করে এলজিইডি প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরে অনুমোদনের জন্য পাঠায় (আইডি নম্বর-৫০৬৯৪৪০১০)। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। অবশ্য রাস্তার আইডি নম্বর নথিপত্রে ঠিক থাকলেও দরপত্রে পাল্টে যায়। তাতে প্রকল্পের স্থান পরিবর্তন করে ‘সানুহার আর অ্যান্ড এইচ কালিহাতা রোড ভায়া আবদুল খালেক সিকদারের বাড়ির জামে মসজিদ পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়ক’ পাকা করার কথা বলা হয়। গত আগস্ট মাসে দরপত্র আহ্বান করা হয়। এখন বাকি শুধু ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেওয়া।

বামরাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইউসুফ হোসেন জানান, অনুমোদিত প্রকল্প অনুযায়ী রাস্তা পাকা করতে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীর কাছে অনুরোধ করে তিনি চিঠি দিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন