বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নৌকাটিতে আবদুল হক একাই ছিলেন। আশপাশে আরও কয়েকজন নৌকায় করে মাছ ধরছিলেন। আবদুল হকের লুটিয়ে পড়ার দৃশ্য দেখে তাঁর ছোট ভাই আবদুল আহাদসহ কয়েকজন নৌকার পাশে এগিয়ে যান। তাঁরা অচেতন অবস্থায় আবদুল হককে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে যান। সেখানে স্থানীয় চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত আবদুল হকের ছোট ভাই আবদুল আহাদ জানান, সকাল থেকে কুশিয়ারা নদীর বাগিরঘাট এলাকায় তাঁরা মাছ ধরছিলেন। এ সময় হঠাৎ এমন ঘটনা ঘটেছে। এর আগেও গত রোববার একই স্থান থেকে আবদুল হক প্রায় ছয় কেজি ওজনের কাতলা মাছ ধরেছিলেন। আজ সোমবার ধরা পড়া মাছটিও কাতলা। যার ওজন ১০-১২ কেজি। মাছটি বিক্রি করা হয়েছে।

আবদুল আহাদ জানান, বড় ভাইয়ের হৃদ্‌রোগজনিত কোনো সমস্যা নেই। তবে তাঁর উচ্চ রক্তচাপ ছিল।

সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন জন্মেজয় দত্ত বলেন, জন্মগত ত্রুটির কারণে মানুষের বুকে রক্তনালির মহাধমনির সমস্যা থাকতে পারে। এ সমস্যাজনিত রোগীর স্বাভাবিকভাবে কোনো সমস্যা হয় না। সারা জীবন স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। তবে কোনো কারণে সেখানে আঘাত পেলে রক্তনালির মহাধমনি ফেটে যেতে পারে। এতে ভেতরে রক্তক্ষরণে আধা ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হতে পারে।

সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, ‘বিকেলের দিকে এমন একটি খবর পেয়েছিলাম। তবে বিষয়টি আমাদের কেউ জানায়নি। আমরা বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন