বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এজাহার সূত্রে জানা যায়, সুরাজপুর ইসলামিয়া হেফজখানা ও এতিমখানার অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে সুরাজপুর-মানিকপুর ইউপির প্যাড, চেয়ারম্যানের সই ও সিল জাল করে জীবিত মানুষকে মৃত দেখিয়ে বেশ কয়েকটি সনদ তৈরি করা হয়। এসব মৃত্যুসনদ দেখিয়ে আসামিদের যোগসাজশে এতিমের নামে সরকারিভাবে বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

মৃত্যুসনদ দেওয়ার ক্ষেত্রে ইউপিতে সরকারিভাবে একটি রেজিস্ট্রার রয়েছে। অর্থ আত্মসাতে ব্যবহৃত মৃত্যুসনদের একটিও ওই রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ নেই।

মামলা করার পর রোববার বেলা দুইটায় সংবাদ সম্মেলন করেন ইউপি চেয়ারম্যান আজিমুল হক। তিনি দাবি করেন, ‘আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে ও মানহানির উদ্দেশ্যে প্রতিপক্ষের লোকজন আমার সই জাল করে মৃত্যুসনদ বানিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। আমি সুরাজপুর-মানিকপুর ইউপির তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। প্রতিবার নির্বাচনের আগে ষড়যন্ত্রকারীরা একজোট হয়ে মাঠে নামে আমার বিরুদ্ধে। এবারও নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে চরিত্রহননের চেষ্টা করছে।’

ইউপি চেয়ারম্যান আজিমুল হকের মামলায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক রোস্তম শাহরিয়ারকেও আসামি করা হয়েছে। রোস্তম শাহরিয়ার বলেন, গত ২৯ আগস্ট জীবিত মানুষকে মৃত দেখিয়ে এতিমদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চেয়ারম্যান আজিম ও মাদ্রাসার দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন আদালত। মামলাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চেয়ারম্যান পাল্টা মামলা করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন