বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টিকাকেন্দ্র উদ্বোধনের পর মীরজাদী সেব্রিনা সাংবাদিকদের জানান, করোনার টিকা নিলে টিকা গ্রহণের সনদ দেওয়ার একটি বিষয় আছে। সে জন্যই মূলত টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা। রেজিস্ট্রেশনের এ প্রক্রিয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তাই যাঁদের এনআইডি আছে, প্রাথমিকভাবে তাঁদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। যাঁদের এনআইডি নেই, তাঁদের জন্মনিবন্ধন কার্ডের মাধ্যমে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। যাঁদের দুটোর কোনোটাই নেই, তাঁদের শিগগিরই এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে টিকার আওতায় আসতে হবে।

অস্থায়ী বুথের এ টিকা কার্যক্রম সমন্বয় করছেন ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক এ এ মামুন। তিনি বলেন, সকাল ১০টা থেকে টিকা কার্যক্রম শুরু হবে, চলবে বেলা দেড়টা পর্যন্ত। শিক্ষার্থীদের অবশ্যই হল থেকে প্রভোস্টের স্বাক্ষরিত ফরম নিয়ে আসতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্র সূত্র জানায়, শিক্ষার্থীরা শতভাগ টিকার আওতায় না আসা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। কেন্দ্রের ছয়টি বুথে স্বাস্থ্যবিধি ও শৃঙ্খলা মেনে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। বুথগুলো ঢাকা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেছেন।

টিকার বিশেষ কেন্দ্র উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মীরজাদী সেব্রিনা জানান, দেশের ৮০ ভাগ মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ২০ ভাগ মানুষ টিকার আওতায় এসেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখন পর্যন্ত তৃতীয় ডোজ টিকা দেওয়ার অনুমোদন দেয়নি। অনুমোদন দিলে বাংলাদেশও তা অনুসরণ করবে।

মীরজাদী সেব্রিনা আরও বলেন, ‘আমরা পর্যায়ক্রমে সবাইকে টিকার আওতায় নিয়ে আসব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যেভাবে ও যে টিকাগুলোর অনুমোদন দিয়েছে এবং যখন যাঁদের টিকা দেওয়ার অনুমোদন দিচ্ছে, আমরা সেভাবেই অনুসরণ করছি।’

স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে মীরজাদী সেব্রিনা বলেন, ‘১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের জন্য একটি টিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদন দিয়েছে, সেই টিকা এখন আমাদের দেশে আছে। টিকাগুলো দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারণ করবে কবে, কোথায়, কীভাবে কম বয়সীদের টিকা দেওয়া হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন