বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জিনারদী ইউপি চেয়ারম্যান পদে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অপর তিনজন হলেন নৌকা প্রতীকের কামরুল ইসলাম গাজী, মোটরসাইকেল প্রতীকের কামরুজ্জামান খন্দকার ও চশমা প্রতীকের মল্লিকা দত্ত।

তিন স্বতন্ত্র প্রার্থীর অভিযোগ, সকাল থেকে বেশির ভাগ ভোটকেন্দ্রে তাঁদের এজেন্ট ঢুকতে দেওয়া হয়নি। যেসব কেন্দ্রে এজেন্ট ছিলেন, তাঁদের মারধর করে ভয়ভীতি দেখিয়ে বের করে দেওয়া হয়। প্রায় সব কেন্দ্রে প্রকাশ্যে ব্যালটে সিল মারাসহ ভোটারদের নৌকা প্রতীকে সিল মারতে বাধ্য করা হয়। এতে ভোটাররা তাঁদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেননি। এসব অনিয়মের অভিযোগ প্রশাসনকে জানানো হলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

জিনারদী ইউনিয়নের কুড়াইতলী বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী জুটন চন্দ্র দত্ত সাংবাদিকদের বলেন, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল ইসলাম গাজীর সমর্থকেরা ভোটের প্রচারের শুরু থেকেই বিভিন্নভাবে আমার কর্মীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বাধা সৃষ্টি করে এসেছেন। এ ছাড়াও ভোটের দিন বহিরাগত সন্ত্রাসীদের এনে ব্যালট বাক্সে সিল মারা হবে—এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে একাধিকবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। একই অভিযোগ অপর দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদ খান ও কাজী রফিকুল ইসলামের।

জুটন চন্দ্র দত্ত আরও বলেন, ‘আমার এজেন্টকে মারধর করা হয়েছে। আজকে আমার সমর্থক এক ছেলেকে তিনবার মারছে। ১১টি কেন্দ্রের সবগুলোতেই নৌকার সমর্থকেরা এমন নৈরাজ্য চালিয়েছেন। ভোট শেষ হলে আমার যে কী হবে আমি জানিনা।’

তিন স্বতন্ত্র প্রার্থীর অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার জন্য একাধিকবার নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল ইসলাম গাজীর মুঠোফোনে কল দেন এই প্রতিবেদক। তিনি কল রিসিভ না করায় এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোসাম্মাৎ জোবাইদা খাতুন বলেন, ‘জিনারদী ইউনিয়নের তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বলে শুনেছি। তবে যেসব অনিয়মের অভিযোগে তাঁরা নির্বাচন বর্জন করেছেন, সেসব বিষয়ে আমরা কোনো কেন্দ্র থেকে অভিযোগ পাইনি। এই ইউপিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন