বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০২০ সালে মেহেদীর কিডনিতে জটিলতা দেখা দেয়। চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খাওয়ায় কিছুটা কমতে থাকে রোগের যন্ত্রণা। কিন্তু কী নিয়তি! তত দিনে শরীরে বাসা বেঁধেছে আরেক প্রাণঘাতী রোগ লিভার সিরোসিস। মা–ভাই–বোন সবার কপালে তখন চিন্তার ভাঁজ। কী করে ব্যয়বহুল এসব রোগের চিকিৎসা চলবে। তারপরও মা ও স্কুলপড়ুয়া ভাই মিলে টেনে নিচ্ছিল সংসার; সাধ্যমতো চেষ্টা করছিল মেহেদীর চিকিৎসার। অসুস্থতা একসময় এত বেশি হয় যে মেহেদীকে সার্বক্ষণিক দেখভালের জন্য একজনের প্রয়োজন হতো।

এরই মধ্যে মাথায় বাজ পড়ার মতো অবস্থা। গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান ছোট ভাই। একমাত্র ছোট ভাইটি সামান্য উপার্জনের পাশাপাশি মেহেদীকেও দেখাশোনা করত। এরপর সংসারে বাকি রইল তিনটি প্রাণ। কথায় বলে, ‘ভাগ্যের লিখন, না যায় খণ্ডন।’ নিয়তির কী নির্মম পরিহাস, ছোট ভাইয়ের শোকে কয়েক মাস পরই মারা যান মেহেদীর মা–ও। এরপর বিয়ে হলে বোনটিও চলে গেল অন্য ঘরে। এখন মেহেদী শুধুই একা। একেবারে নিঃসঙ্গ।

একদিকে মেহেদীর চিকিৎসায় বিপুল অঙ্কের টাকা প্রয়োজন; অন্যদিকে প্রয়োজন দেখভাল করার জন্য সার্বক্ষণিক কোনো মানুষের। চিকিৎসা ও দেখভালের অভাবে সম্ভাবনাময় মেহেদীর ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যাওয়া মেনে নেওয়া যায় না।

চিকিৎসকেরা বলছেন, উন্নত চিকিৎসা ও নিয়মিত ওষুধ–পথ্যের মাধ্যমে সুস্থ করা সম্ভব মেহেদীকে। কিন্তু সেটা কীভাবে সম্ভব? শারীরিক ও আর্থিকভাবে প্রায় অচল মেহেদীর একার পক্ষে সেটা রীতিমতো অসাধ্য। তবে, এই মুহূর্তে আপনার–আমারই সহায়তায় বাঁচানো সম্ভব স্বপ্নাতুর চোখ ফিকে হয়ে আসা মেহেদীকে।

সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা
মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, ব্যাংক হিসাব নম্বর: ৮৮০.৬০০.৭৩৭১, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন, পিএলসি, উত্তরা শাখা, ঢাকা। সহায়তা পাঠানো যাবে বিকাশেও: ০১৯১৩–৪৯০৯৮৬ (পারসোনাল)।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন