এলাকাবাসী ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নামা পাহাড়ি ঢলে ধামাই বাগানের বিভিন্ন নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। রণদের বসতঘর টিলাভূমিতে হলেও বাড়িতে প্রবেশের কাঁচা রাস্তার ওপর কোমরসমান পানি। তিনি গত বুধবার রাত নয়টার দিকে স্থানীয় একটি দোকান থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু জিনিস কিনে বাড়ি ফিরছিলেন। কিন্তু নৌকা না পেয়ে হেঁটে রওনা দেন। একপর্যায়ে পানিতে ডুবে যান। পরে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি।
এরপর ঘটনাটি জুড়ী থানা–পুলিশ ও কুলাউড়া ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রথমে কুলাউড়া ফায়ার সার্ভিসের একটি দল গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ব্যর্থ হয়। পরে সিলেট থেকে ডুবুরি দল এসে অভিযান চালায়। তারাও রণের কোনো সন্ধান পায়নি।

ধামাই চা-বাগান শ্রমিক পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি যাদব রুদ্রপাল মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, আজ সকাল নয়টার দিকে ঘটনাস্থলের কাছে রণ রিকমনের লাশ ভেসে ওঠে। পরে পুলিশ গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় লাশটি উদ্ধার করে।
যাদব রুদ্রপাল বলেন, পরিবারে রণের স্ত্রী ও তিন ছেলে রয়েছে। তিনিই একমাত্র উপার্জনক্ষম ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন