বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শহরের আব্দুল মালেক উকিল সড়কের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জেলা ও শহর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ১৬ জানুয়ারি নোয়াখালী পৌরসভার নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে।

আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা করা হয়েছে, ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লুৎফুল হায়দারের পক্ষে বরিশাল জেলা সরকারি কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহফুজুর রহমান খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল নোয়াখালী আসে। দলটি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লুৎফুল হায়দারের পক্ষে কাজ করার জন্য নোয়াখালী জেলা প্রশাসনে কর্মরত কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচনী প্রচার চালায়। বিদ্রোহী প্রার্থী লুৎফুল হায়দার বরিশাল জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. জসীম উদ্দীন হায়দারের ছোট ভাই।

অভিযোগের বিষয়ে লুৎফুল হায়দার প্রথম আলোকে বলেন, এ সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। পাল্টা অভিযোগে তিনি বলেন, নৌকার লোকেরা গতকাল শহরের ফকিরপুরে তাঁর উঠান বৈঠকের প্যান্ডেল ভাঙচুর করেছে। যার বিষয়ে তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে পৌরসভা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ বলেন, ‘আজকে যাঁরা ষড়যন্ত্র করছেন, সেই বরিশাল কালেক্টরেট ভবনের কর্মকর্তাদের একটি দল কয়েক দিন আগে নোয়াখালীতে এসেছে। নোয়াখালী কালেক্টরেট ভবনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিটিং হয়েছে। তাদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে। আমরা আপনাদের কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই, প্রজাতন্ত্রের কোনো কর্মচারী এ ধরনের কাজ করতে পারে কি না। এটা নির্বাচনী আচরণবিধি ও আইনের বিরোধী।’

আবদুল ওয়াদুদ বলেন, পাঁচ বছর আগেও সামান্য বৃষ্টি হলে শহরের অনেক সড়ক পানিতে ডুবে যেত। শহরের রাস্তাঘাট দিয়ে মানুষ চলাচল করতে পারতেন না। এখন শহরের এমন কোনো বড় সড়ক নেই যেটির উন্নয়নের বাকি আছে।

পৌরসভা নির্বাচনে স্থানীয় সাংসদ মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী নৌকার পক্ষে আছেন কি না, এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে আবদুল ওয়াদুদ বলেন, ‘এই নৌকা বঙ্গবন্ধুর নৌকা, এই নৌকা স্বাধীনতার নৌকা, এই নৌকা জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকা। এই নৌকা সদরে আপনাদের সাংসদ জননেতা একরামুল করিম চৌধুরীর নৌকা। আমাদের বিশ্বাস, উনিও নৌকার পক্ষে আছেন এবং থাকবেন।’

নোয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনের মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মো. সহিদ উল্যাহ খান ছাড়াও নির্বাচনে লড়ছেন আরও ছয় প্রার্থী। তাঁরা হলেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লুৎফুল হায়দার (মুঠোফোন), বিএনপির সমর্থক আবু নাছের (নারকেলগাছ) ও মো. সহিদুল ইসলাম (কম্পিউটার), জাতীয় পার্টির (এরশাদ) মো. সামছুল ইসলাম (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. শহীদুল ইসলাম (হাতপাখা) ও কাজী আনোয়ার হোসেন (জগ)।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন