বিপুল ঘোষ বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা যাঁকে মনে করবেন, তাঁকে জেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সেক্রেটারি করবেন। তিনি দুটি নাম একটি খামে ভরে আঠা দিয়ে মুখ আটকে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের কাছে দেবেন, সাধারণ সম্পাদক ওই খাম খুলে নাম দুটি ঘোষণা দেবেন। এর আগে তিনিও জানতে পারবেন না কে কে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের হচ্ছেন সভাপতি ও সেক্রেটারি।

কারও নাম উল্লেখ না করে বিপুল ঘোষ বলেন, ‘তিনি যাতে মেয়র হতে পারেন, তাঁর জন্য আমার কঠিন সুপারিশ ছিল। এখন তিনি সেক্রেটারি হতে চান। আপনি সেক্রেটারি হতে চাইতে পারেন, তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু আমার লোকদের ভয় দেখান কেন? সাধারণ লোক খেপে গেলে পালানোর পথ পাবেন না।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন শহর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মনিরুল হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম মিয়া প্রমুখ।

বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফুজ্জামান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সম্মেলন সামনে রেখে বিপুল ঘোষ জমি বিক্রি করেছেন সম্মেলন সফল করার জন্য। বিপুল ঘোষকে যদি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি করা না হয়, তাহলেও আমরা নেত্রীর সিদ্ধান্ত মেনে নেব। তবে সে ক্ষেত্রে জেলার আওয়ামী রাজনীতি নিম্নগামী হবে।’

জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম সেলিম বলেন, ‘কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে নালিশ করে বলা হয়েছে, বিপুল ঘোষ অক্ষম, ২০ বছর ধরে বিপুল ঘোষ রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন। ওই কথার জবাব দিতেই আজকের এই আয়োজন। বিপুল ঘোষের ব্যানার, পোস্টার বা গেট লাগে না, বিপুল ঘোষ ফরিদপুরের রাজনীতির জীবন্ত কিংবদন্তি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন