বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জোহুরা একটি রেজিস্টার্ড পাওয়ার অব অ্যাটর্নি মূলে এলএ শাখা থেকে ২ কোটি ৮৬ লাখ টাকার চেক অবৈধভাবে তোলার আবেদন করেন। ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা পাওয়ারদাতাদের পরিচয় ও তাঁর সঙ্গে ওই ব্যক্তিদের সম্পর্কের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এতে জোহুরা অসংলগ্ন উত্তর দেন। পাওয়ার অব অ্যাটর্নিদাতাদের জোহুরা চেনেন না বলে জানান। এরপর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে পাওয়ারদাতাদের ঠিকানায় অনুসন্ধান করা হয়। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলে বর্ণিত ঠিকানায় আবুল কালাম শামসুদ্দিন ও আবু হেনা মোস্তফা কামাল নামের দুজনের সন্ধান পাওয়া যায়। তখন উভয়েই জানান, তাঁরা জোহুরা বা অন্য কাউকেই তাঁদের জমির ক্ষতিপূরণ তোলার জন্য ক্ষমতা দেননি। এই ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়। এরপর পুলিশ গত সোমবার তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সার্ভেয়ারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার এসআই মোমিনুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, এলএ শাখা ঘিরে একটি চক্র রয়েছে। তারা জালিয়াতির মাধ্যমে নানা অপরাধে জড়িত। দালালের পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত। গ্রেপ্তার নারী দালালের জবানবন্দিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

এলএ শাখার কর্মকর্তারা জড়িত থাকার বিষয়ে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান আজ সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, দালালসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন