বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পানি কমতে থাকায় মাছ ধরা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে বড়বিহানালী ইউনিয়নের বেড়াবাড়ি গ্রামের আবদুর রহমান, ছামান আলী, ইব্রাহিম হোসেন, রুবেল হোসেন, আজাদুল ইসলামসহ ছয় প্রভাবশালী বিলে মাছ ধরতে শুরু করেছেন। তাঁরা প্রভাব খাটিয়ে বিলে জাল দিয়ে মাছ ধরে সেগুলো বিক্রি করছেন। দুই দিন ধরে তাঁরা মাছ ধরছেন।

বিষয়টি জানার পর সমিতির সদস্যরা বাধা দিলে তাঁদের ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সমিতির সদস্যদের পক্ষে সভাপতি অমূল্য চন্দ্র হালদার ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। একই অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় মৎস্য বিভাগকেও দেওয়া হয়েছে।

অমূল্য চন্দ্র অভিযোগ করেন, দুই দিন ধরে সাত থেকে আট লাখ টাকার মাছ লুট করা হয়েছে। তাঁরা আর্থিকভাবে ক্ষতির শিকার হওয়ার পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়েছেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দা ওয়াজেদ আলী, বাবুল হোসেন ও কাদের আলী বলেন, পূর্বপ্রস্তুতি নিয়েই অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মাছ লুট করছেন। মাছগুলো স্থানীয় বিভিন্ন আড়তে বিক্রি করা হচ্ছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আবদুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, সরকারি জমিতে নয়, নিজেদের পৈতৃক জমি থেকে মাছ ধরছেন। এ-সংক্রান্ত প্রমাণও তাঁদের কাছে আছে।

বাগমারা থানার ওসি মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর একজন কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মাছ ধরতে নিষেধ করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন