default-image

জয়পুরহাটে ছেলের ইটের আঘাতে মায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত নারীর নাম সুফিয়া বেগম (৫০)। তিনি জয়পুরহাট সদর উপজেলার কোমরগ্রাম পশ্চিমপাড়ার নুরুল আমিনের স্ত্রী।

গতকাল রোববার ইফতারের আগমুহূর্তে নিজ বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে আজ সোমবার ভোরে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত নারী মারা যান। মায়ের মৃত্যুর কথা জানার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় সকালে অভিযুক্ত ছেলে উজ্জ্বলকে আটক করেছে পুলিশ।

মায়ের মৃত্যুর কথা জানার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় সকালে অভিযুক্ত ছেলে উজ্জ্বলকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, সাংসারিক বিষয় নিয়ে মা সুফিয়া বেগম ও ছেলে উজ্জ্বলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। প্রায় দিনই তাঁদের মধ্যে ঝগড়াবিবাদ লেগে থাকত। গতকাল ইফতারের আগমুহূর্তে চুলা থেকে ছাই ওঠানো নিয়ে শাশুড়ি সুফিয়া বেগম ও তাঁর ছেলের বউ (উজ্জ্বলের স্ত্রী) মেনকা খাতুনের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে ছেলে উজ্জ্বল ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁর মায়ের মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করেন। এতে তাঁর মা গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়।

বিজ্ঞাপন

নিহত সুফিয়া বেগমের মেয়ে নুরবানু প্রথম আলোকে বলেন, ‘বড় ভাই উজ্জ্বল আমাদের মাকে ইট দিয়ে আঘাত করে মেরে ফেলেছেন। এমন সন্তান যেন আর কারও ঘরে জন্ম না নেয়। আমরা বড় ভাইয়ের বিচার দাবি করছি।’

জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান বলেন, ‘ছেলের ইটের আঘাতে মায়ের মৃত্যু হয়েছে। আমরা ছেলেকে আটক করেছি। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করার প্রক্রিয়া চলছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন