বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিখিত বক্তব্যে বোরহান উদ্দীন জানান, ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ৮ নম্বর ধুলিহর ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান। নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মিজান চৌধুরী জয়লাভ করেন। ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মিজান চৌধুরীর পক্ষের ৪০-৫০ জনের একটি বাহিনী ১৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় ১ নম্বর ওয়ার্ডের বড়দল গ্রামের ভাগ্যেরবাড়ির মোড়ে অবস্থিত ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যালয় ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বাবলুর রহমানের দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এ সময় বাবলুর রহমান তাদের ভয়ে গোপনে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে স্থানীয় ব্রহ্মরাজপুর ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ছাড়া নির্বাচনের পরদিন থেকে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি প্রদর্শন করে যাচ্ছেন। তাঁর বাহিনীতে যোগ দিয়েছেন ইউনিয়নের জামায়াত-বিএনপির নেতা–কর্মীরা। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অবিলম্বে মিজান চৌধুরী ও তাঁর বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নেতা–কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান।

উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক তন্ময় বোস জানান, তিনি গতকাল শনিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন কয়েকটি চেয়ার ভাঙচুর করা হয়েছে। পুলিশ আসতে দেখে কিছু লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ঘটনাটি কারা ঘটিয়েছেন তা তাৎক্ষণিক শনাক্ত করা যায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন