default-image

মহাসড়কে মাহিন্দ্রাসহ অবৈধ যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধের দাবিতে ঝালকাঠি থেকে দ্বিতীয় দিনের মতো বরিশালসহ ছয় রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে এ ধর্মঘটের ডাক দেয় ঝালকাঠি বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন।

আকস্মিক বাস ধর্মঘটে ঝালকাঠি-বরিশাল, ঝালকাঠি-ভান্ডারিয়া, বরিশাল-খুলনা, বরিশাল-পিরোজপুর, বরিশাল-মঠবাড়িয়া, বরিশাল-পাথরঘাটা ও বামনা—এই ছয় রুটের যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়ে। দুর্ভোগের শিকার অনেকেই সময়মতো গন্তব্যে যেতে না পেরে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। কেউ কেউ ভাড়ার মোটরসাইকেলে যাচ্ছে। এদিকে ঝালকাঠি মালিক সমিতির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে বরিশাল বাস মালিক সমিতি। বরিশাল থেকেও খুলনা-পিরোজপুরের বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় তারা।

জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বাহাদুর চৌধুরী জানান, মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল বে-আইনি হলেও ঝালকাঠির আঞ্চলিক মহাসড়কে পুরোদমে চলছে অবৈধ মাহিন্দ্রা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। এর প্রতিবাদ করলে মাহিন্দ্রা গাড়ির মালিক ও চালকেরা বিভিন্ন সময় বাসশ্রমিকদের ওপর হামলা, নির্যাতন ও বাসের যন্ত্রাংশ চুরি করে নেন।

বিজ্ঞাপন

বাস মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহমেদ জানান, সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে বরিশাল রূপাতলী বাস টার্মিনালে থাকা ঝালকাঠি মালিক সমিতির কয়েকটি বাসের যন্ত্রাংশ চুরি করে নেন মাহিন্দ্রার মালিক ও চালকেরা। প্রতিবাদ করলে শ্রমিকদের মারধর ও জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনার বিচার ও মহাসড়কে অবৈধ মাহিন্দ্রা চলাচল নিষিদ্ধের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ঝালকাঠির ওপর থেকে বিভিন্ন রুটের লোকাল বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

নাসির উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘আজ সকালে রূপাতলী বরিশাল বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সঙ্গে আমরা বৈঠক করেছি। তবে কোনো সুরাহা হয়নি। প্রশাসনের কাছ থেকেও থ্রি–হুইলার বন্ধে কোনো আশ্বাস পাইনি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন