বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লঞ্চঘাট এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শাজাহান খান বলেন, ‘বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে সংবাদগুলো আমরা দেখেছি, সেগুলো আমলে নিয়ে পর্যালোচনা করে এবং লঞ্চটি পরিদর্শন করে কাজ করছে তদন্ত কমিটি।’ তাঁর ধারণা, আগুন ক্যানটিন থেকে নয়, ইঞ্জিনের সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ফলে লেগেছিল।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও যুগ্ম সচিব তোফায়েল হাসান বলেন, ‘যা কিছু দেখছি, সবই প্রাথমিক তদন্তের পর্যায়ে আছে। চূড়ান্তভাবে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।’

ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত কমিটির প্রধান ও উপপরিচালক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, লঞ্চের ছয়টি সিলিন্ডারের মধ্যে একটিতে বিস্ফোরণ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। এর ফলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।

আগুন লাগা লঞ্চটিতে কতজন যাত্রী ছিল, তার সঠিক তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) দাবি, লঞ্চটিতে প্রায় ৪০০ যাত্রী ছিল। তবে লঞ্চ থেকে প্রাণে বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের অনেকে বলছেন, অভিযান-১০ লঞ্চে যাত্রী ছিল ৮০০ থেকে ১ হাজার।

এদিকে বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের পাঁচ সদস্যের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান শুরু করেছে। তারা আজ সারা দিন সুগন্ধা নদীর সম্ভাব্য সব স্থানে লাশের সন্ধানে অভিযান চালাবে। বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের সহকারী উপপরিচালক বেলাল উদ্দিন বলেন, সুগন্ধা নদীতে স্রোতের মাত্রা বেশি। এ কারণে ডুবে যাওয়া ব্যক্তিদের লাশ খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে। এরপরও চৌকস ডুবুরি দল নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান পেতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন