বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবদুল হক বরগুনায় তাঁর শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশে লঞ্চে চড়েছিলেন। ২৪ ডিসেম্বর রাতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনি দগ্ধ হয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হন। আজ সকালে স্থানীয় জেলেরা বিষখালী নদীতে জাল ফেলতে গিয়ে আবদুল হকের লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা লাশটি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। পুলিশ লাশের প্যান্টের পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও ফোনের সিম থেকে পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরিচয় নিশ্চিত হয়।

আজ সকালে স্থানীয় জেলেরা বিষখালী নদীতে জাল ফেলতে গিয়ে আবদুল হকের লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা লাশটি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

এদিকে সকালে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতনামা নারী লাশের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। আজ সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঝালকাঠি সদর উপজেলার কিস্তাকাঠি এলাকার বিষখালী নদীর চর থেকে ওই লাশ উদ্ধার করা হয়। ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ওই নারীর বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। তাঁর পরনে গোলাপি রঙের সালোয়ার-কামিজ আছে। আগুনে ঝলসানো লাশের চিহ্ন দেখে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিখোঁজ যাত্রীদের একজন।

এ নিয়ে গত তিন দিনে সুগন্ধা ও বিষখালী নদী থেকে পাঁচটি লাশ উদ্ধার করা হলো। এতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ৪৪ হলো।

আজ সকাল থেকেই সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর বিভিন্ন প্রান্তে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ট্রলার ও নৌযান নিয়ে নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান করছেন। পাশাপাশি কোস্টগার্ডের সদস্যরাও তাঁদের সহায়তা করেন। ঝালকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খলিলুর রহমান বলেন, লাশ দুটি উদ্ধার করে ঝালকাঠি হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে নরসিংদীর আবদুল হকের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন