বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জিয়াউল হক বলেন,‘ আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহজাহানের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জন সন্ত্রাসী ইউনিয়নের ১৩টি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে সিল মারছেন। দুপুর সাড়ে ১২টায় কুন্দিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে শাহজাহান আলী নিজে আমাকে গুলি করার হুমকি দেন। দুপুর ১২টায় সব কেন্দ্র থেকে আমার নির্বাচনী পোলিং এজেন্ট বের করে দিয়ে নৌকা প্রতীকে সিল মেরেছেন।’

সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জিয়াউল হক আরও বলেন, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্যপ্রার্থী আবদুল মাজেদকে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তাঁকে বেধড়ক মারধর করে জখম করা হয়েছে। ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্যপ্রার্থী হেনা খাতুনকেও নাজেহাল করা হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
এ সময় প্রেসক্লাবে ইউপি সদস্যপ্রার্থী আবদুল মাজেদ ও হেনা খাতুন, পোলিং এজেন্ট খাদিজা বেগম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মাথায় ব্যান্ডেজ ও শরীরে স্যালাইন দেওয়া অবস্থায় আবদুল মাজেদ সম্মেলনে হাজির হন। তিনি যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

নৌকা প্রতীকে সিল মারা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজনের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহজাহান আলী বলেন, সব মিথ্যা কথা। সব কেন্দ্রে আনন্দমুখর পরিবেশে শান্তপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুল হক বলেন, ‘এ বিষয়ে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যে অভিযোগের কপি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে পাঠানো হয়েছে।’

আজ যশোরের ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলার ২২টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট গ্রহণ চলছে। কয়েকটি কেন্দ্রের বাইরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া–পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন