বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ধানশাইল ইউপিতে নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম ৩ হাজার ৮০৭ ভোট পেয়ে আবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার প্রার্থী তৌফিকুর রহমান পেয়েছেন ৩ হাজার ৩১১ ভোট। হাতীবান্ধা ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম ২ হাজার ৮৪০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী মো. ওবায়দুল ইসলাম পেয়েছেন ২ হাজার ৭৯৮ ভোট।

গৌরীপুর ইউপিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আশরাফুল ইসলাম ৩ হাজার ৫০৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। ওই ইউপিতে নৌকার প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৮২ ভোট। নলকুড়া ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. রুকুনজ্জামান ৫ হাজার ৯১৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। সেখানে নৌকার প্রার্থী আখতারুজ্জামান ২ হাজার ৫৯১ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন।

সঠিক প্রার্থী বাছাই না করার কারণে আওয়ামী লীগের এমন ভরাডুবি হয়েছে বলে মনে করছেন দলটির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা প্রথম আলোকে বলেন, এলাকায় জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও আবেদন করে অনেকেই দলের মনোনয়ন পাননি। তাঁদের আবেদন বিবেচনা না করে জনপ্রিয়হীন ব্যক্তিদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ফলে ভোটাররা সেসব প্রার্থীদের ভোট দেননি এবং নৌকার অধিকাংশ প্রার্থীই পরাজিত হয়েছেন।

ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম এ ওয়ারেজ নাইম জানান, আওয়ামী লীগের জন্য আরও একটু ভালো ফলাফলের আশা ছিল। তবে তা হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন