ব্যবসায়ী হাসিবুর রহমান বলেন, মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের চুক্তি হয়েছিল। ২০২০ সালের ১ আগস্ট কার্যকর হওয়া চুক্তিনামার শর্তে বলা হয়েছে, দোকানঘরের অগ্রিম হিসেবে নেওয়া জামানতের টাকা পৌরসভার তহবিলে জমা থাকবে। কিন্তু ঘর উচ্ছেদের পর বর্তমান পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বলছে, জামানত হিসেবে কোনো অর্থ পৌরসভার তহবিলে নেই। ফলে তাঁদের জমানতের টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়।

ব্যবসায়ী লাল মিয়া বলেন, তিনি পৌর মার্কেটের একটি দোকানঘর ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জামানত দিয়ে নিয়েছিলেন। দোকান উচ্ছেদের ফলে তাঁর মালামাল নষ্ট হয়েছে। তিনি জামানতের টাকা, দোকানের সজ্জা ও ক্ষতিগ্রস্ত মালামাল বাবদ চার লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ পৌরসভার সচিব নুর মোহাম্মদ বলেন, দোকানঘর বা মার্কেট বরাদ্দের জামানতের কোনো অর্থ পৌরসভার তহবিলে নেই। ফলে ব্যবসায়ীদের জামানতের টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন