বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে সিরাক বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম সৈকত জানান, তাঁদের নাম ও খণ্ডিত লোগো ব্যবহার করে কার্যালয় খুলে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করার খবর পেয়ে তাঁরা ঢাকার পল্লবী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তিনি দাবি করেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে তাঁরা জানতে পারেন, তাঁদের সংস্থার নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে ঠকানো হচ্ছে। তাঁরা ঋণদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন না। তা ছাড়া শৈলকুপায় তাঁদের কোনো অফিস নেই, কখনো ছিলও না। প্রতারক চক্রের এ প্রতারণার কারণে তাঁদের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

প্রসঙ্গত, শৈলকুপার কবিরপুর এলাকায় সিটি কলেজ রোডে সিরাক বাংলাদেশ নামের একটি সংস্থার সাইনবোর্ড দিয়ে কার্যালয় খুলেছিল একটি প্রতারক চক্র। সেখানে ঋণ দেওয়ার কথা বলে সহস্রাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে আনুমানিক দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ওই চক্র। গত ২৫ সেপ্টেম্বর অফিস খুলে ১ অক্টোবর ঋণ দেওয়ার ঘোষণা দেন চক্রের সদস্যরা। এরপর লাখ টাকা ঋণের বিপরীতে ১০ হাজার টাকা করে আদায় শুরু করেন তাঁরা। পরে ১ অক্টোবর কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে যান তাঁরা। গ্রাহকেরা জানান, তাঁরা তাঁদের কর্মকর্তার নাম বলেছিলেন নাজমুল হাসান। একটি পাস বইও দিয়েছিলেন, যেখানে জমা করা টাকার অঙ্ক লেখা আছে।

গ্রাহক রুহুল আমিন জানান, নাজমুল নামের যে ব্যক্তি সংস্থার কর্মকর্তা পরিচয় দিয়েছিলেন, তাঁর একটা ছবি তাঁদের (গ্রাহকের) কাছে আছে। এই ছবি দেখে প্রতারকদের ধরা যেতে পারে। এ ছাড়া তাঁরা যে মুঠোফোন ব্যবহার করতেন, সেগুলোর নম্বর ধরেও সন্ধান করা যেতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত প্রতারক চক্রের কোনো সন্ধান মেলেনি।

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন মামলার তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তাঁরা তদন্ত করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন