বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার আসামিরা হলেন দৈনিক ভোরের কাগজের শৈলকুপা প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান, দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি শামিমুল ইসলাম শামিম, দৈনিক আজকালের খবর পত্রিকার শৈলকুপা প্রতিনিধি এইচ এম ইমরান ও বাদীর সাবেক স্বামী।

মামলার এজাহারে ওই নারী উল্লেখ করেন, ২০১০ সালের ২০ ডিসেম্বর মামলার ৪ নম্বর আসামি মনিরুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। ২০১৩ সালের শেষ দিকে স্বামী তাঁকে ফেলে রেখে বিদেশ চলে যান। ২০১৮ সালে দেশে ফিরে তাঁর স্বামী তাঁকে নানাভাবে নির্যাতন করতে থাকেন। ২০২০ সালের ৭ জুন তিনি স্বামীকে তালাক দেন। এরপর থেকেই যে যাঁর মতো চলাফেরা করতে থাকেন। তিনি তাঁর বাবার বাড়ি থেকে হাঁস, মুরগি ও ছাগল পালনের পাশাপাশি বুটিকের কাজ করেন।

মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ৪ নভেম্বর সন্ধ্যার দিকে আসামি মনিরুজ্জামান তাঁর ফেসবুক ওয়ালে মামলার বাদীর সঙ্গে সাক্ষীর কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি পোস্ট করেন। অপর আসামি শামিমুল ইসলাম শামিম ও আসামি এইচ এম ইমরানের ব্যক্তিগত আইডি থেকে ওই ছবি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ছবি ও নিউজ ছড়িয়ে পড়ার পর ওই নারীর প্রতি ঘৃণা ছড়াতে থাকে। মামলার বাদী ও সাক্ষীর ব্যক্তিগত সুনাম ও সামাজিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার জন্যই আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে এই অপরাধ করেছেন।

এ বিষয়ে বাদীর আইনজীবী স্বপন কুমার ঘোষ বলেন, ১৫ নভেম্বর বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনাল খুলনায় অভিযোগটি করা হয়। ওই দিনই ট্রাইব্যুনালের বিচারক  ঝিনাইদহ পিবিআইকে অভিযোগ তদন্ত করার নির্দেশ দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন