বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলায় ৪০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান ওসি।

চতুর্থ ধাপে ২৬ ডিসেম্বর ফুরসুন্দি ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। গত বুধবার রাতে ফুরসুন্দি ইউনিয়নের টিকারী বাজারে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী সহিদুল ইসলাম সিকদারের (নৌকা প্রতীক) সমর্থকদের সঙ্গে দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী আবু সাইদ সিকদারের (আনারস প্রতীক) সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় নৌকার নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করেন বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকেরা। তখন নৌকার প্রার্থীর কর্মী ও সদস্য পদপ্রার্থী (ফুটবল প্রতীক) মাহমুদুল হক আহত হন। পরদিন সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে বাজারে যাওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত বাড়িতে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়।

নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী সহিদুল ইসলাম সিকদার একে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেন। আর আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবু সাইদ সিকদার দাবি করেন, মাহমুদুল হক হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

ঘটনাটি নিয়ে দুই পক্ষ দুই ধরনের বক্তব্য দেয়। নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী সহিদুল ইসলাম সিকদার একে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেন। আর আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবু সাইদ সিকদার দাবি করেন, মাহমুদুল হক হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। নিহত ব্যক্তির পরিবারও এটাকে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে। এ ঘটনায় ঝিনাইদহ সদর থানায় অপমৃত্যুর একটি মামলা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, লাশের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন আসার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে মৃত্যুর কারণ।

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা সাংবাদিকদের বলেন, বুধবার রাতে টিকারী বাজারে নৌকা ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় মোটরসাইকেল ও নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় ইউপি সদস্য প্রার্থী মাহমুদুল হককে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার সকালে ওই ইউপি সদস্য মারা গেলে নারিকেলবাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পের এসআই তৌহিদুল ইসলাম ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে একদল উত্তেজিত জনতা পুলিশের ওপর হামলা চালান। এতে ওই এসআই গুরুতর আহত হলে তাঁকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন