বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সারুটিয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ প্রার্থী মাহমুদুল হাসান ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জুলফিকার কায়সারের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে কাতলাগাড়ি বাজারে সংঘর্ষ হয়। এতে পাঁচজন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে ওই দিনই হারান আলী মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় অখিল সরকারকে (৫৫) কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দুপুরে মারা যান তিনি। এই নির্বাচন ঘিরে সহিংসতায় সারুটিয়া ইউনিয়নে চারজন নিহত হন। নিহত অন্য দুজন হলেন কাতলাগাড়ী আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা হারান আলী ও ভাগবাড়িয়া গ্রামের জসিম উদ্দিন।

নিহত আবদুর রহিমের ছেলে অহিদুল ইসলাম বলেন, ৩১ ডিসেম্বর তাঁর বাবা কাতলাগাড়ী বাজারে নৌকার নির্বাচনী কার্যালয়ে বসেছিলেন। তখন প্রতিপক্ষ মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকেরা হামলা চালান। তাঁর বাবা আবদুর রহিম গুরুতর আহত হন। তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে গতকাল দিবাগত রাত তিনটার দিকে তিনি মারা যান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন