বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জয়নাল আবেদীন বর্তমানে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, তিনি পাঁচ বছর বারোবাজার ইউপির চেয়ারম্যান ছিলেন। এবারও তৃতীয় ধাপে ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় বারোবাজার ইউপি নির্বাচনে তিনি অংশ নিতে চান। এ জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। ফরম পূরণ করে গতকাল বিকেল পাঁচটার দিকে উপজেলা পরিষদে জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথে উপজেলা পরিষদ মসজিদের কাছে একদল সন্ত্রাসী তাঁর ওপর হামলা করে। তারা এলোপাতাড়ি মারপিট করে মনোনয়নপত্র ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয় ব্যক্তিরা তাঁকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া ফরম উদ্ধার করে আবার জয়নাল আবেদীনকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি মনোনয়নপত্রটি ইতিমধ্যে জমাও দিয়েছেন বলে জানান।

জয়নাল আবেদীন অভিযোগ করেন, তাঁর প্রতিপক্ষ আবুল কালাম আজাদ লোকজন দিয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। আবুল কালাম নির্বাচনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী রাখতে চান না। এ বিষয়ে জয়নাল আবেদীন থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া ফরম উদ্ধার করে আবার তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি মনোনয়নপত্রটি ইতিমধ্যে জমাও দিয়েছেন বলে জানান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বারোবাজার ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, তিনি নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে চলে এসেছেন। জয়নাল আবেদীনের সঙ্গে তাঁর কোনো লোক খারাপ ব্যবহার করেননি।

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহা. মাহফুজুর রহমান মিয়া ও ওসি (তদন্ত) মো. মতলেবুর রহমানের সঙ্গে কথা বলার জন্য যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাঁদের মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে অপর এক পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে থানায় মামলা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন