বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নার্স ও ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বলেন, ভয় ও মৃত্যুঝুঁকির মধ্যেই থাকতে হচ্ছে তাঁদের। বেশ কয়েকবার ছাদের বিভিন্ন স্থান থেকে পলেস্তারার খণ্ড খসে পড়েছে। ভাগ্য ভালো হওয়ায় বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে বিভিন্ন সময় অনেকে আহত হয়েছেন। ১৩ এপ্রিল রাতে পুরুষ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ওই রোগী আহত হওয়ার পর থেকেই অন্য রোগী ও তাঁদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আহত রোগী ছালাম বলেন, ‘আমি ওয়ার্ডের বিছানায় শুয়ে ছিলাম। হঠাৎ ছাদের পলেস্তারার কিছু অংশ খসে পড়ে। এতে আমার মাথা ফেটে যায়।’ পুরুষ ওয়ার্ডে থাকা রতন আকন নামের অপর এক রোগী বলেন, ‘সেদিন আমার চোখের সামনে ওই রোগীর মাথায় পলেস্তারা খসে পড়ে। এখন ছাদের দিকে তাকালেও ভয় হয়। এখন শঙ্কা নিয়েই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।’

ওই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ সরকার গতকাল শুক্রবার বলেন, ‘একটি বড় ধরনের বিপদ থেকে আমরা বেঁচে গেছি। ভাগ্য ভালো ছাদ থেকে খসে পড়া পলেস্তারার নিচ বরাবর কেউ ছিলেন না। তা-ও কিছুটা পলেস্তারা পড়েছে একজনের ওপরে।’ তিনি বলেন, শুধু রোগী নন, ডাক্তার, নার্স ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারী—সবাই ঝুঁকিতে রয়েছেন।

বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ওই হাসপাতাল ভবনটি পরিত্যক্ত। পুরোনো ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে।

এ বিষয়ে কথা হয় বরগুনার সিভিল সার্জন ফজলুল হকের সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ভবনটি পরিত্যক্ত, কিন্তু বিকল্প ভবন না থাকায় বাধ্য হয়ে সেখানে চিকিৎসাসেবা চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই অন্য কোনা ভবনে চিকিৎসা কার্যক্রম সরিয়ে আনব। নতুন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণকাজ খুব দ্রুতই শুরু হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন