বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, ভোটকেন্দ্রের জন্য নির্ধারিত উত্তর চত্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ। ভবনের বারান্দায় ফেলে রাখা হয়েছে একটি পরিত্যক্ত কাঠের নৌকা। পিলারের রড বেরিয়ে গেছে। ছাদের পলেস্তারা অনেক আগে থেকেই নেই। দরজা-জানালা ভাঙা, দেয়াল ও ছাদে ফাটল দেখা যাচ্ছে।

এ ছাড়া ভোটারদের আসা-যাওয়ার একমাত্র সড়কটিতে সংস্কারকাজ চলছে। সড়কের মাঝবরাবর মাটিকাটার যন্ত্র দিয়ে গর্ত করা হয়েছে। সড়কের দুই পাশে মাটি স্তূপ করে রাখা হয়েছে। এই সড়কে যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। হেঁটে চলাই দায় হয়ে পড়েছে।

প্রথম আলোর সঙ্গে কথা হয় ওই এলাকার কয়েকজন প্রবীণ ভোটারের। তাঁদের মধ্যে আবদুল সত্তার হাওলাদার ও ফারুক মোল্লা বলেন, ভোটকেন্দ্রের ভবনটি যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, তেমনি আশপাশের পরিবেশও অত্যন্ত খারাপ। ভবনটিতে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিছুদিন আগে এটি ভেঙে ফেলার জন্য নিলামও ডাকা হয়েছে। অথচ ভোটকেন্দ্রটি সরানো হয়নি। ভবন ধসে এখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে?

৬ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য পদে প্রার্থী রয়েছেন পাঁচজন। এদের একজন বর্তমান ইউপি সদস্য মামুন হাওলাদার কয়েক দিন আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে কেন্দ্র স্থানান্তরের দাবি জানিয়ে লিখিত আবেদন করেন। তবে সেই আবেদন বিবেচনা করা হয়নি।

রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন ভোটকেন্দ্রটির দুরবস্থার কথা স্বীকার করে বলেন, ভোটকেন্দ্রটি ঝুঁকিপূর্ণ। তবে এখন কিছু করার নেই। কেন্দ্রটির গেজেট পাস হয়ে গেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন