বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
এক সপ্তাহ আগে এক পথচারী সেতু থেকে পড়ে যান। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁর মৃত্যু হয়।
শাহিন হাওলাদার, চেয়ারম্যান, সাতলা ইউপি

সরেজমিনে দেখা যায়, কচা নদীর ওপরে নির্মিত সেতুটির নিচের অংশের লোহার খুঁটিগুলো জং ধরে নষ্ট হয়ে গেছে। সেতুটির অ্যাঙ্গেলসহ বিভিন্ন উপকরণ খুলে পড়েছে। এতে মূল সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। স্বল্প প্রস্থের ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্যের সেতুটির এ মাথা থেকে ও মাথা পর্যন্ত কোনো রেলিং নেই। পাশাপাশি দুটি ভ্যান বা রিকশা চললে জায়গা করে দিতে গেলে পথচারীরা যেকোনো সময় নদীতে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।

উজিরপুর উপজেলার নয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বৈদ্যবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজাপুর হাই স্কুল, সাতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মধ্য রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পশ্চিম দক্ষিণ সাতলা রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীর যাতায়াতের পথে পড়ে সেতুটি। অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে তারা সেতু পারাপার হয়। দক্ষিণ সাতলা রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. কালিমুল্লাহ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রায় দুই দশক ধরে সেতুটির এ অবস্থা হলেও দেখার কেউ নেই।

স্থানীয় সুভাষ বৈরাগী, শেফালী রানী ও নিরাঞ্জন মন্ডল বলেন, গত কয়েক মাসে সেতু পার হওয়ার সময় রিকশাভ্যানকে জায়গা দিতে গিয়ে নদীতে পড়ে একজন নিহতসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সেতুর ওপর দিয়ে দুটি ভ্যানগাড়ি পাশাপাশি পার হওয়ার সময় নদীতে পড়ে কাদের বালি নামের এক মাদ্রাসাছাত্র গুরুতর আহত হয়। সে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

সাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার বলেন, এক সপ্তাহ আগে এক পথচারী সেতু থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সেতুটি রেলিংবিহীন অবস্থায় আছে প্রায় ১৫ বছর। এলাকাবাসীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী শেখ আজিমুর রশিদ বলেন, ‘সাপোর্টিং ফর রুরাল সেতু’ প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ সেতু সংস্কারকাজ চলমান রয়েছে। এর অধীনে সেতুটি সংস্কার করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন