পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের নলদিয়া গ্রামের মিয়াজন সারেং বাড়িসংলগ্ন একটি ডোবার পাড়ের বাঁশঝাড় ও লতাপাতায় ঘেরা ঝোপের মধ্য থেকে হঠাৎ এক নবজাতকের কান্না শোনা যায়। তখন আশপাশের লোকজন নবজাতকটিকে উদ্ধার করেন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে পোকামাকড় ও পিঁপড়ার কামড়ের ক্ষত ছিল।

খবর পেয়ে সেনবাগ থানার পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যায়। পরে একই গ্রামের রিকশাচালক নিঃসন্তান দম্পতি ওবায়দুল হক ও রিনা আক্তার নবজাতকটিকে নিজেরা লালনপালনের জন্য বাড়িতে নিয়ে যান। তাঁরা নবজাতকটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়েছেন। সাত বছর আগে বিয়ে হয়েছে ওবায়দুল ও রিনার। তবে কোনো সন্তান আসেনি তাঁদের ঘরে। ওই দম্পতি এখন বেজায় খুশি। তাঁরা নবজাতকটির নাম রেখেছেন সাখাওয়াত আহমেদ আরিয়ান। ওবায়দুল বলেন, বিয়ের সাত বছরেও কোনো সন্তান না হওয়ায় মন খারাপ হতো তাঁর। এখন এই নবজাতককে পেয়ে সেই শূন্যতা পূরণ হলো।

নবজাতক উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, নবজাতকের শরীরে পোকামাকড়ের কামড় ও জন্মগত ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন