বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের উপসহকারী প্রকৌশলী আসাদুল ইসলাম বলেন, সড়ক বিভাজকের মাটি মূল মাটি ছিল না। সেখানে শুধু বালি ছিল। আর পোলগুলো এক–দেড় মিটারের মতো গভীরে দেওয়া ছিল। তাই পোলগুলো ঝড়ে পড়ে গিয়েছিল। এবার তাই পোলগুলোর নিচে ফুটিং বড় করা হয়েছে। নিচের দিকে এটা অনেকটা টি আকৃতির। ছয় ফিট গভীর থেকে ভিত্তি করা হয়েছে। এর ওপর পোলগুলো বসানো হচ্ছে। তবে বড় ঝড়ে আবার পড়বে না, এই নিশ্চয়তা দেওয়া যাবে না বলে তিনি জানিয়েছেন।

এই প্রকৌশলী আরও বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘হ্যারো ইঞ্জিনিয়ারিং বাংলাদেশ’ পোলগুলো বসানোর কাজ করেছে। উদ্বোধনের ৪৯ দিনের মাথায় পোলগুলো ঝড়ে পড়ে যায়। প্রতিটি কাজের এক বছরের ওয়ারেন্টি থাকে। তাই পোলগুলো বসানোর কাজের যত খরচ, তা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানই দিচ্ছে। সিটি করপোরেশনের এ ক্ষেত্রে এক পয়সাও খরচ নেই। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কালকের মধ্যে সব কটি পোল হয়তো বসাতে পারবে।

রাজশাহী সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, মহানগরের পশ্চিমের প্রবেশদ্বার কাশিয়াডাঙ্গা মোড় হতে বিলসিমলা রেলক্রসিং পর্যন্ত ৪ দশমিক ২ কিলোমিটার সড়কটিতে ১৭৪টি দৃষ্টিনন্দন এই বৈদ্যুতিক পোল বসানো হয়। ১৭৪টি পোলে ৩৪৮টি আধুনিক দৃষ্টিনন্দন এলইডি বাল্ব লাগানো রয়েছে, যা প্রজাপতির মতো ডানা মেলে রয়েছে। বিদ্যুৎ–সাশ্রয়ী বাতিগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ ও চালু হয়।

উদ্বোধনের সময় বলা হয়েছিল, আধুনিক দৃষ্টিনন্দন এ সড়কবাতিগুলো স্থাপনের ফলে নাগরিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ঘটবে। রাত্রিকালীন গাড়ি চলাচলে গতির সঞ্চার হবে। আধুনিক বসবাসযোগ্য সুন্দর পরিচ্ছন্ন সবুজ নগরকে আরও আধুনিক সাজে সজ্জিত করতে এটি নতুন মাত্রা যোগ করল। আলোকায়নের কাজটি সম্পন্ন করতে ব্যয় করা হয়েছে ৫ কোটি ২২ লাখ টাকা।

default-image

গত ১১ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান নগরের বিলসিমলা-কাশিয়াডাঙ্গা সড়কে এই বাতিগুলো উদ্বোধন করেন। এই বাতিগুলো লাগানোর পর রাতের বেলায় নগরবাসী এই সড়কে ভ্রমণ করতে ভিড় শুরু করেছিলেন। কিন্তু ঝড়ে পড়ে যাওয়ার পর তা নিয়ে সমালোচনা দেখা দেয়। এর দীর্ঘ প্রায় সাত মাসের মাথায় এসে পোলগুলো পুনরায় বসানো হচ্ছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হ্যারো ইঞ্জিনিয়ারিং বাংলাদেশের স্বত্বাধিকারী আশরাফুল হুদাকে ফোন করা হলে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন