হাসপাতালে ওই কিশোরের লাশের সঙ্গে ছিলেন উন্নয়ন কেন্দ্রের কর্মী হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রের নিচতলায় সেফ হোমে এক কিশোর অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে বলে খবর পাই। পরে আমরা উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসি। ভেতরে নিজেদের মাঝে মারামারি করে এ অবস্থা হয়েছে। কিন্তু কেন মারামারি করেছে কিংবা কখন, কীভাবে এসব হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানি না।’

তবে ওই কিশোরের শরীরে মারামারি কিংবা আঘাত পাওয়ার কোনো চিহ্ন মেলেনি বলে জানান হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. রকিবুজ্জামান। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে আনার পর ওই কিশোরকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। শরীরে কোনো আঘাত বা মারামারির চিহ্ন ছিল না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।’

হাসপাতালে ওই কিশোরের লাশ এখন পুলিশ ও প্রশাসনের জিম্মায় রয়েছে। এ মৃত্যুর বিষয়ে জানতে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক এহিয়াতুজ্জামানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি এ কেন্দ্র থেকে ১৭ বছর বয়সী ভারতীয় এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছিল, কেন্দ্রের শৌচাগারে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে ওই কিশোর।