বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ঘটনার কারণ কী?

এ কে এম শাহনাওয়াজ: এটার কারণ তো খুবই স্পষ্ট। এটা দেওয়ার মানে হচ্ছে একটা শক্তিশালী অপশক্তিকে প্রতিষ্ঠা দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠা দেওয়ার মানসিকতা। না হলে তো একজনকে স্বাগত জানানোর কত সুন্দর, শোভন পদ্ধতি আছে। সে পদ্ধতিতে আমরা যাচ্ছি না। একসময় যাত্রাপালায় দেখতাম, একজন ভালো অভিনয় করলে দর্শকেরা টাকা ছুড়ে দেন। গলায় টাকার মালার মধ্য দিয়ে অসুস্থ ও সংকীর্ণ একটা ছবি দেখতে পেলাম এখানে।

এ ঘটনা সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আপনার মনে হয়?

এ কে এম শাহনাওয়াজ: অবশ্যই সমাজে একটা বড় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে একটা ধারণা তৈরি হবে যে অর্থ ছাড়া নির্বাচন করা যায় না। যারা এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তারা জয়ীকে জানিয়েই দেবে, ভবিষ্যতে যখন তুমি নির্বাচন করবে, অর্থই তখন তোমার প্রধান হবে। আর যারা অর্থ দিয়ে সাহায্য করছে, তাদের উদ্দেশ্যই হবে অর্থটা যাতে কয়েক গুণ হয়ে ফিরে আসে। এভাবে সমাজে অসুস্থতা বাড়বে। এটা নিম্নমানের ও নিম্ন রুচির প্রকাশ। এর দায় নিতে হবে কেন্দ্রীয় নেতাদের।

এ ধরনের ঘটনা রোধে ও টাকার যথেচ্ছ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করেন?

এ কে এম শাহনাওয়াজ: টাকার যথেচ্ছ ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন এবং দলের একটা বার্তা থাকা উচিত যে এটা হলে ব্যক্তির বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তা না হলে এটা চলতেই থাকবে এই নষ্ট সময়ে, নষ্ট সমাজে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন