default-image

রাজবাড়ী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী রয়েছেন চারজন। তাঁদের মধ্যে টাকা ও শিক্ষায় এগিয়ে আছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মহম্মদ আলী চৌধুরী। প্রার্থীদের নির্বাচনী হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া যায়।

চতুর্থ ধাপে রাজবাড়ী পৌরসভার নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। আওয়ামী লীগের প্রার্থী মহম্মদ আলী চৌধুরী রাজবাড়ী পৌরসভার বর্তমান মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। বিএনপির তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া সাবেক মেয়র ও জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি। জাতীয় পার্টির কে এ রাজ্জাক (মেরিন) দলের পৌর কমিটির সাধারণ সম্পাদক। আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী আলমগীর শেখ (তিতু) ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও কাউন্সিলর। ৪ জানুয়ারি তাঁকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

হলফনামা অনুযায়ী মহম্মদ আলী চৌধুরী বিএ পাস। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। পেশা ব্যবসা। তাঁর কাছে আছে ৭ লাখ ৯৩ হাজার ৭৬৯ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে তিন লাখ টাকা। বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে বা স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ করা আছে ৩০ লাখ টাকা। সোনা আছে পাঁচ ভরি। ব্যবসা থেকে বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৬২ হাজার ৬০০ টাকা। কৃষি খাত থেকে আয় ৩২ হাজার ৪০০ টাকা। রাজবাড়ীতে ১১ শতাংশ জমির ওপর রয়েছে দোতলা বাড়ি। ঢাকায় একটি ফ্ল্যাটের অর্ধেকের মালিকানা তাঁর। মহম্মদ আলী চৌধুরীর কোনো ব্যাংকঋণ নেই।

বিজ্ঞাপন

মহম্মদ আলী চৌধুরী বলেন, ‘আমি আগে ঠিকাদারি করতাম। সম্পদ বা টাকাপয়সার বিষয়ে সঠিক তথ্য দিয়েছি। তথ্যে কোনো অসংগতি নেই।’

বিএনপির প্রার্থী তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া স্বশিক্ষিত। তাঁর পেশা ব্যবসা। ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত নন। তিন লাখ টাকা আছে তাঁর কাছে। কৃষি খাত থেকে তাঁর আয় ১ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। ব্যবসা থেকে আয় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। একটি ব্যাংকে তাঁর ঋণ রয়েছে ৫০ লাখ টাকা।

আলমগীর শেখ এসএসসি পাস। পেশা ঠিকাদারি। তাঁর কাছে টাকা আছে ৫০ হাজার। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। ব্যবসা করে তাঁর বার্ষিক আয় ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

কে এ রাজ্জাক এসএসসি পাস। তাঁর পেশা ব্যবসা। ব্যবসা থেকে তাঁর বার্ষিক আয় ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন