বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ মঙ্গলবার বিকেলের দিকে জেলা পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার (এসপি) গৌতম কুমার বিশ্বাসসহ অন্য কর্মকর্তারা কামালপুর গ্রামে যান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ও কামালপুর গ্রামের শতাধিক বাসিন্দা। তাঁদের সামনে লাশের পরিচয় শনাক্ত ও সন্দেহভাজন হত্যাকারীকে কীভাবে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হলো, সে সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়।

গ্রেপ্তার আবুল হাসান (২৫) জিজ্ঞাসাবাদে ফজলুল হককে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে পিবিআই দাবি করেছে।

নান্দাইল থানা-পুলিশ সূত্র জানায়, নান্দাইল উপজেলার কামালপুর গ্রাম থেকে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধারের পর পিবিআই লাশের আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে। পরে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর নাম ও পরিচয় শনাক্ত করে। নিহত বৃদ্ধের বাড়িতে খোঁজ নিয়ে পিবিআই জানতে পারে, ফজলুল হক ২২ সেপ্টেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরে ওই বৃদ্ধকে হত্যার কারণ ও হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের সম্পর্কে অনুসন্ধান শুরু করে পিবিআই।

গতকাল সোমবার রাতে আবুল হাসান (২৫) নামের এক ব্যক্তিকে নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করে ময়মনসিংহের পিবিআই কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। আবুল হাসান নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের কালিয়াপাড়া গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ফজলুল হককে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে পিবিআই দাবি করেছে।

পিবিআই জানায়, গ্রেপ্তার আবুল হাসান নরসিংদী শহরের কাতেহারা মহল্লায় ফজলুল হকের বাসায় ভাড়া থাকতেন। ফজলুল হক ছিলেন সচ্ছল মানুষ। বাসাভাড়ার টাকা নিজের কাছে রাখতেন। ভাড়াটে আবুল হাসান টাকা লুট করার পরিকল্পনা করেন। পরে ফজলুল হককে নিজের গ্রামের বাড়ি নান্দাইলের কালিয়াপাড়ায় বেড়াতে যাওয়ার প্রস্তাব দেন। ফজলুল হক রাজি হলে গত বুধবার তাঁকে নান্দাইল নিয়ে যান। পরদিন ভোরে সেখানকার কামালপুর গ্রামের এক ধানখেতে ফজলুল হকের লাশ পাওয়া যায়।
আবুল হাসানকে আজই আদালতে পাঠানো হবে বলে জানায় পিবিআই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন