বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

আলাপচারিতায় রাকিব জানায়, তার বাবা নেই। মা গৃহকর্মীর কাজ করেন। স্থানীয় একটি কলোনিতে বাসা ভাড়া নিয়ে তারা থাকে। সে লেখাপড়া করে না, দিনমজুরির কাজ করে। রোববার বিকেলে একটি বাঁশের ঝোপে ঘুঘুর ছানাটি পড়ে থাকতে দেখে বাড়ি নিয়ে যায়। বিক্রি করে কিছু টাকা মিলবে এমনটাই আশা ছিল তার। তবে কিছু টাকার বিনিময়ে পাখিটিকে সুস্থ করে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিলে সে সানন্দে রাজি হয়। পরে পাখিটিকে নিয়ে বাড়ি ফিরে যায়। পাখিটিকে আর বিক্রি করবে না বলে কথা দেয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পথচারী বলেন, ‘পাখির বাচ্চাটি একটু বড় হলে সম্ভবত উড়তে পারবে। এ কারণে ছেলেটির হাতে সামান্য টাকা তুলে দিয়ে পাখিটির জন্য খাবার কিনে নিয়ে যেতে বলেছি। ছেলেটি কথা রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।’

পাখি বিশেষজ্ঞ ইনাম আল হক মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে সবুজ ঘুঘু আছে। কোনোভাবে ঘুঘুর ছানাটি তার পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এটিকে চাল খাওয়ানো যায়। একটু বড় হলেই ছেড়ে দিলে সে উড়ে চলে যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন