বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সহিদুরের পক্ষে আবদুল বাকী মিয়া, আরফান আলী মোল্লা, শফিকুল ইসলাম, আনন্দ মোহন আর্য্য শুনানিতে অংশ নেন। তাঁরা যেকোনো শর্তে সহিদুরের জামিন মঞ্জুরের দাবি জানান। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান, বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল গফুর ও রফিকুল ইসলাম জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তাঁর কলেজপাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে।

আদালতে দুজনের দেওয়া স্বীকারোক্তিতে এই হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সাংসদ আমানুর রহমান খান, তাঁর তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খানের জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। সহিদুর গত বছরের ২ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করেন। তাঁর অন্য দুই ভাই এখনো পলাতক।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন