বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নূরুল হুদা। তিনি পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের হাতে ক্রেস্ট, অর্থ ও সম্মাননা পত্র তুলে দেন।

তিনি বলেন, ব্যক্তিসত্তাকে জাগ্রত করলে জাতিসত্তা এবং মানবসত্তা জাগ্রত হবে। কেউ কারও থেকে ছোট নয়, সবাই শ্রেষ্ঠ। শুধু কাজের মধ্য দিয়ে কেউ প্রকাশিত হয়। সাহিত্য সাধনা ও দর্শন সাধনার মধ্য দিয়ে মানুষ নতুন সভ্যতার আবিষ্কার করে।

তিনি আরও বলেন, ‘টাঙ্গাইল সৃষ্টিশীলতার জায়গা। এখানে নিয়মিত সাহিত্য চর্চা হয়। সাহিত্য সংসদের উদ্যোগে প্রতিমাসে দুবার কবিতা পাঠের আসর বসে। এ জন্যই টাঙ্গাইলকে আমরা আলাদা করে দেখি।’

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গণির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান। বক্তব্য দেন ভাসানী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার নাজিম উদ্দিন, সাহিত্য সংসদের সভাপতি কবি মাহমুদ কামাল, প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, শামসুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, সাহিত্য সংসদের উপদেষ্টা জাকিয়া পারভীন ও রতন চন্দ্র সাহা, ছায়ানীড়ের নির্বাহী পরিচালক লুৎফর রহমান, কবি রোকেয়া ইসলাম প্রমুখ।

পরে দ্বিতীয় অধিবেশনে কবিতা পাঠ প্রতিযোগিতা হয়। সাহিত্য সংসদের সাবেক সভাপতি হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি বুলবুল খান মাহবুব। এতে অর্ধশতাধিক কবি অংশ নেন।

সাহিত্য সংসদের সভাপতি মাহমুদ কামাল জানান, ২০০৪ সালে টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়। এর পর থেকেই সংগঠনটি প্রতিবছর কবিতা ও সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদান রাখা টাঙ্গাইলের কবি–সাহিত্যিকদের পুরস্কৃত করে আসছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন