বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০২ সালে শাহাদাৎ হোসেনের সঙ্গে সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের আউলটিয়া গ্রামের জাহারা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের তিন মাস পর থেকে ১০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করেন শাহাদাৎ। কিন্তু জাহারার পরিবার যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় শাহাদাৎ নানাভাবে তাঁর স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন।

২০০২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর শাহাদাৎ শ্বশুরবাড়িতে যান। রাতে খাওয়াদাওয়া শেষে স্ত্রীকে নিয়ে ওই বাড়ির একটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন সকালে জাহারার বাড়ির লোকজন পরে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে জাহারার লাশ ভেসে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনার দিনই নিহতের ভাই ইউনুস আলী বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে মামলার আসামি শাহাদাৎ হোসেন আত্মসমর্পণ করেন।

টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি আলী আহমেদ বলেন, মামলায় চিকিৎসকসহ মোট ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। শাহাদাৎ হোসেন আত্মসমর্পণের পর হাজতে ছিলেন। পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন