বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রেজাউলের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আজ বিকেলে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের উদ্যোগে টাঙ্গাইল শহীদ মিনারে সমাবেশ করা হয়। এতে বক্তব্য দেন শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোলাম কিবরিয়া, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল লতিফ, শ্রমিক লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর আমিনুর রহমান, সদর থানা যুবলীগের সভাপতি আবু সাইম তালুকদার, শহর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ সিকদার মানিক প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা এই হামলার জন্য সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা ও তাঁর সহযোগীদের দায়ী করে বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে আমানুর ও তাঁর ভাইয়েরা ২০১৪ সালে টাঙ্গাইল থেকে বিতাড়িত হন। আমানুর জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে আবার টাঙ্গাইলে অপতৎপরতা শুরু করেছেন। বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসীদের সংগঠিত করছেন। তাঁদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবেই রেজাউলের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

পরে শহীদ মিনার থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

হামলার শিকার রেজাউল শহরের দেওলা এলাকার মো. আজাদ আলমগীরের ছেলে। শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হওয়ার আগে তিনি জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ছিলেন। দলীয় নেতা–কর্মীরা বলছেন, ২০১৪ সালে ফারুক আহমেদ হত্যার বিচারের দাবিতে আমানুর ও তাঁর ভাইদের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন শুরু হয়, সেখানে রেজাউল সক্রিয় ছিলেন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, তাঁরা বর্তমানে রেজাউলের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। তাই এখনো মামলা করা হয়নি।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, রেজাউলের ওপর হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা গেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। রেজাউলের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাঁরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এখনো মামলা করতে আসেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন