আজ রোববার সকাল থেকে মেঘলা ও ঝোড়ো আবহাওয়া বিরাজ করলেও বৃষ্টি ছিল না। বেলা একটার পর শুরু হয় মাঝারি ও ভারী বৃষ্টি। সঙ্গে প্রবল বজ্রপাত ও ঝোড়ো হাওয়া।

default-image

দুপুরের পর শুরু হওয়া বৃষ্টিতে নগরের হাঁটুসমান পানি জমে পলিটেকনিক গলি, আমির কুটির, মুনসির গ্যারেজ, অক্সফোর্ড মিশন, বগুড়া রোড, বাংলাবাজার, হালিমা খাতুন স্কুলের পাশের গলিসহ বিভিন্ন এলাকায়। এসব এলাকার অনেক নিচু বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়েছে।

বিকেলে নগরের বাংলাবাজার এলাকায় কথা হয় রিকশাচালক আবুল কালামের সঙ্গে। তিনি বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে লোকজন বাইরে কম বের হচ্ছেন। এতে তাঁদের আয়ও কমে গেছে।

বৃষ্টিতে দুর্ভোগে পড়েন অফিসফেরত লোকজনও। বিকেলে বৃষ্টির পর অনেকেই আটকা পড়েন। পরিবহন সংকটে বাসায় ফিরতে বেগ পেতে হয়।

default-image

বরিশাল আবহাওয়া কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক মাহফুজুর রহমান বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, বেলা ৩টা পর্যন্ত বরিশালে ১৫ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় বিভাগের অধিকাংশ স্থানে আরও ভারী অথবা মাঝারি বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা আছে। একই সঙ্গে দমকা ও ঝোড়ো হাওয়া, বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা আছে। সোমবারও একই অবস্থা বিরাজের পর মঙ্গলবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন