বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধান শিক্ষক সাদিকুর রহমান থানায় আটক অবস্থায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি পরিচয় দেওয়ার পরও ওই পুলিশ কর্মকর্তা জনসম্মুখে আমার জামার কলার ধরলে আমি তাঁকে থাপ্পড় মারি। পরে স্থানীয় লোকজনের হস্তক্ষেপে বিষয়টি সেখানেই দুই পক্ষের মধ্যে মীমাংসা হয়।’

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিশেষ গণটিকা কার্যক্রমে বহেড়াতৈল গণ উচ্চবিদ্যালয়ে টিকাদান কার্যক্রম চলছিল। ওই টিকাকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে ছিলেন সখীপুর থানার সহকারী উপপরিদর্শক সানিউল আলম। বেলা তিনটার দিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাদিকুর রহমান তাঁর মা ও স্ত্রীকে নিয়ে টিকাদানকেন্দ্রে যান। তিনি লাইনে না দাঁড়িয়ে সরাসরি কক্ষে প্রবেশ করতে চাইলে এএসআই সানিউল আলম তাঁকে বাধা দেন। এ সময় তাঁদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষক সাদিকুর রহমান ওই এএসআইকে থাপ্পড় মারেন। টিকাদান কেন্দ্রে উপস্থিত স্থানীয় লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এ সময় এএসআই সানিউল আলম বিষয়টি থানার ওসিকে অবহিত করেন। সন্ধ্যায় পুলিশ প্রধান শিক্ষক সাদিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে সাইদুল হক ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। মামলা হওয়ায় ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন