বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রোববার সকালে সাতকানিয়া উপজেলা সদরে এক আত্মীয়ের দোকানে বসে আলী আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, ২০০৮ সালে তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পেয়েছিলেন। এর আগে অন্য কোনো কাজে তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহারের প্রয়োজন পড়েনি। তবে ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত সাতকানিয়া পৌরসভা নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেননি তিনি। সে সময় ভোট কেন্দ্রের বুথে দায়িত্বরত লোকজন তাঁর ভোট হয়ে গেছে বলে জানিয়েছিলেন।

আলী আহমদের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন দুলালের ইচ্ছায় অথবা অসতর্কতার কারণে ২০১৯ সালে নির্বাচন কমিশনের তৈরি করা তালিকায় তাঁর বাবাকে মৃত হিসেবে দেখানোর সুপারিশ করা হয়েছিল। যে কারণে তাঁর বাবার বয়স্ক ভাতার আবেদনও করা সম্ভব হচ্ছে না।

সাতকানিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন দুলাল বলেন, ওই সময় ৬ শতাধিক নতুন ভোটার ও ১৭৭ জন মৃত মানুষের ফরমে স্বাক্ষর করেছিলেন। আলী আহমদ তাঁর পরিচিত ও ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি। ভুলবশত ও দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাঁকে মৃত হিসেবে দেখানো হয়েছিল।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু তালেব প্রথম আলোকে বলেন, আলী আহমদকে ভোটার তালিকায় মৃত দেখানো হয়েছে। তবে এ ধরনের ভুল সংশোধনের সুযোগ আছে। এ বিষয়ে আলী আহমদ আবেদন করলে দ্রুত ভুল সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন